নব নির্বাচিত রাস্ট্রপতি- নতুন দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রীদের নিয়ে আলাপ আলোচনা দেখছি।
তাদের সাথে কার কতোটা খায় খাতির আছে সেটার প্রমান দিতে তাদের সাথে ছবি ও পোস্ট করছেন-

একটা গল্প দিয়ে শুরু করি-
একদিন প্রেসক্লাবের সামনে দিয়ে যাচ্ছি, অটোরিকশা চালকদের একটা সমাবেশ হচ্ছে-একজন চীৎকার করে বলছে,
ভাইসব এখন বক্তব্য রাখবেন আমাদের ফারুক ভাই, তার সাথে মন্ত্রী এমপিদের ভালো সম্পর্ক আছে। 😊
আমাদের বন্ধুদের অনেকের সাথেও মন্ত্রী এমপিদের ভালো সম্পর্ক আছে- জেনে রাখলাম- চিনেও রাখলাম।
তবে আমার এসব নিয়ে তেমন আশা নাই- আকাঙ্খা নাই। কি নিয়ে?
ছবি টবি নিয়ে।
বাংলাদেশ একটা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে- বড় সংকট অর্থনীতির।
টাকা নেই তো কিছু নেই- আবার টাকা মানেই পুরো অর্থনীতি না- অর্থনীতির চক্রের মধ্যে টাকা গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করছি- একের পর এক শিল্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে- বেকারত্ব বাড়ছে- মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমছে-
বিদ্যুৎ নাই- গ্যাস নাই, ১১ টা বড় টেক্সটাইল মিল বন্ধ- ৭ টা সার কারখানার মধ্যে ৬ টা বন্ধ- সার না থাকলে কৃষি উৎপাদন কমে যাবে আবার সার কারখানা চালু করতে গ্যাস সাপ্লাই দিলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাবে।
ছোট কাঁথায় যেমনি পা ঢাকলে মাথা ঢাকা যায়না- মাথা ঢাকলে পা বের হয়ে থাকে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হয়নি- এই দপ্তরের মন্ত্রী চৌকস কিন্তু বেসিক কাজে সফল না।
সরকার যে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সেটা ফুলফিল হবে না।
এর প্রভাব পড়বে তরুনদের মধ্যে-
সরকারের জনপ্রিয়তা কমতে শুরু করেছে। লোকজন ডেকে এটা ওটা বলে- আসলে কি বলে তা বললে ফ্যাসিবাদের দোষর বলবেন তাই ওটা থাক।
বাজার নিয়ন্ত্রণ- জিও পলিটিক্স এর ভারসাম্য রক্ষা- আইনশৃঙ্খলা- জ্বালানি সংকট নিরসন- কাজের সুযোগ সৃষ্টি এগুলো সরকারকে করতে হবে- হবে মানে হবে।।
এগুলো যদি নতুন মন্ত্রীরা নতুন টিম করতে পারে তাহলে আপনাদের সাথে আমরাও খুশী।
আর যদি না পারে- তাহলে মন্ত্রী সভায় সিনিয়র বলেন- জুনিয়র বলেন- ত্যাগি হোক আর রাগি হোক যাদের যোগ বা বিয়োগ করেন কোন লাভ নাই।
মানুষ এগুলো নিয়ে মাথা ঘামায় না সে ভালো থাকতে চায়।
ক্লিয়ার?
তাকে ভালো রাখার জন্য যা দরকার
যাকে দিয়ে পারেন করেন।
নতুবা মানুষের আস্থা হারাবেন…..
লেখক:
শরিফুজ্জামান শরিফ
গণমাধ্যম ব্যাক্তিত্ব ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
ইমেইল: citizen.solidarity@gmail.com