ডাক্তার মুরাদ হাসান মাহিয়া মাহিকে অশ্লীল কথা বলার পর তার মন্ত্রীত্ব চলে যায়-
আমরা তখন বলেছিলাম এই শাস্তি রাজনৈতিক- তার দল তাকে শাস্তি দিয়েছে কিন্তু তার যে অপরাধ সেটা আইনের চোখে শাস্তিযোগ্য।
সেটা হওয়া উচিত কিন্তু তখন মুরাদ হাসানকে রাজনীতিতে কোনঠাসা করে ফেললেও সরকার তাকে আইন অনুযায়ী শান্তি দেয় নি আবার তখন যারা মন্ত্রীত্ব হারানোকে শাস্তি বলেছেন তারা এখন বিএনপির এমপির পদত্যাগে খুশী নন- তার অপরাধের বিচার চাইছেন।
বিএনপি সম্ভবত তথ্য সংগ্রহ করে দেখেছে নারী সংসদ সদস্য রাড্ডা ঘটনায় জড়িত- তাকে পদত্যাগ করতে বলেছে, এটা অবশ্যই একটা শাস্তি কিন্তু এটা রাজনৈতিক শাস্তি- সাংগঠনিক শাস্তি।
হাসপাতাল গুড়িয়ে দেয়ার আইনের মাধ্যমে তার শাস্তি পেতে হবে এবং সেটার জন্য প্রক্রিয়া অনুসরণ হচ্ছে কিনা তার জন্য হয়তো অপেক্ষা করতে হবে। এর সাথে আরো যারা জড়িত তাদের শাস্তি হতে হবে তবে তার একটা প্রসিডিওর আছে।।
তারেক রহমান কি জানিয়ে দিলেন তুমি মিস্টি হলে আমি তিতা হবো।
বিএনপির নেতা কর্মীদের একটা অংশ অপরাধ করছে সেটা স্পষ্ট হলো। দেশের মানুষের চাওয়া সরকার ও বিএনপি আংশিক পূরন করলো।
কিন্তু বিএনপির নেতা কর্মীরা এর থেকে কতোটা শিক্ষা নিলো তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
টাকার নেশা মানুষকে উন্মাদ করে দেয়- সরকারে থাকা দলটির নেতা কর্মীরা এই ঘটনায় একবারে ভদ্রলোক হয়ে যাবে সেটা বিশ্বাস করার কারন নেই। আমার সেই বিশ্বাস হয়না।।
বড় নেতাদের কোন কোন স্বজনের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে সেটার প্রতিকারে কি করা হয় সেটাও মানুষ দেখতে চাইবে।
সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে নেয়া একশন আই ওয়াশ যেন না হয়।
এজন্য সরকারের উপর চাপ রাখতে হবে।
কমিটি ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্ত ভালো কৌশল- কমিটির ভেতর এক- দুই বা পাঁচজন অপরাধে জড়ালে বাকিরা কমিটি বাতিলের ভয়ে চাপ তৈরি করবে কিন্তু সবকিছু নির্ভর করবে সরকারের সদিচ্ছার উপর।
মানুষ সোচ্চার হলে বিচার হবে না হলে হবে না- এই ধারনা ভেঙে দিতে হবে।
লেখক:শরিফুজ্জামান শরিফ
গণমাধ্যম ব্যাক্তিত্ব ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
ইমেইল: citizen.solidarity@gmail.com