1. admin@allianceray.org : admin :
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন

যুদ্ধে আবারো বাড়ছে তেলের দাম, কমেছে এশিয়ার শেয়ার সূচক

  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৭৩ পড়া হয়েছে:

সপ্তাহের শুরুটা বিশ্ববাজারের জন্য স্বস্তির হলো না। উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার খবরের সঙ্গে ইরানের দাবি, হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ খবরে মুহূর্তেই চাঙা হয়ে ওঠে তেলের বাজার, চাপের মুখে পড়ে শেয়ারবাজার।

আজ সোমবার সকালে এশিয়ার বেশির ভাগ শেয়ারসূচক নিম্নমুখী। সেই সঙ্গে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা।

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব পড়ে মুদ্রা ও বন্ডবাজারেও। এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদের খোঁজ করেন। ডলারের দাম বেড়ে যায়, সঙ্গে বাড়ে মার্কিন সরকারি বন্ডের সুদহার।

আজ সোমবার সকালে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম একলাফে ৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৯ দশমিক ১১ ডলারে উঠেছে। কয়েক দিন আগেও এর দাম ছিল ৭০ দশমিক ১৪ ডলার। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও ৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৪ দশমিক ৩৭ ডলারে উঠেছে।

হরমুজ প্রণালি ঘিরে উদ্বেগের মধ্যেই মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২০টি জাহাজকে নিরাপত্তা দিয়ে প্রণালি পার করানো হয়েছে। তবে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, এই পথে চলাচল এখনো স্বাভাবিক হয়নি।

এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের বড় নজর এখন করপোরেট পরিসংখ্যানের দিকে। মঙ্গলবার থেকে বড় বড় মার্কিন ব্যাংক চলতি প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। এর পরপরই নেটফ্লিক্স ও জেনারেল ইলেকট্রিকের মতো প্রতিষ্ঠানও আয়ের তথ্য প্রকাশ করবে।

অনেকের আশা, কোম্পানিগুলোর ভালো মুনাফার খবরে বাজারের উদ্বেগ কিছুটা হলেও কমতে পারে।

তবে দিনের শুরুতে শেয়ারবাজারে সেই আশাবাদের প্রতিফলন দেখা যায়নি। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ও নাসডাক ফিউচার নিম্নমুখী ছিল। ইউরোপের প্রধান সূচকগুলোর ফিউচারও নিম্নমুখী। জাপানের নিক্কেই সূচক টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো বড় পতনের মুখে পড়েছে। জাপান ছাড়া এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শেয়ারবাজারের এমএসসিআই সূচকও নেমে যায়।

এদিকে তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বন্ডবাজারেও। যুক্তরাষ্ট্রের দুই বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদহার ২০২৫ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। ফলে ডলার আরও শক্তিশালী হয়েছে।

বন্ডের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় সোনার আকর্ষণ কমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ১ শতাংশের বেশি কমে ৪ হাজার ৭৬ ডলারে নেমে এসেছে।

শেয়ার করুন

এই ধরণের আরও নিউজ